অস্থিসার নধর দেহগুলি মিটমিট করে চায়। অদূরের মন্দিরের পূজারির থলি ভর্তি হয় চাল, কলা, টাকায় জীর্ণ, শীর্ণ নাবালিকা ভিক্ষারিনী ক্ষুধাতুর চোখে মিটমিট করে তাকায়। গাড়ি এসে দাঁড়ায় রাস্তার পাশে নেমে আসে বিলিতি হাউন্ড ঘেউ ঘেউ করে তেড়ে আসে প্রভু তাকে রুটি ও বিস্কুট দেয় অস্থিসার নধর দেহগুলি ক্ষুধাতুর চোখে মিটমিট করে চায়।
ভুলে গেছে সমাজ, নেইকো মনে সভ্যতাও একদিন তাকিয়েছিলো ঐ অস্থিসার দেহগুলোর পানে, যখন তৈরি হয়েছিলো ওই মন্দির তাদেরই অক্লান্ত পরিশ্রমে। যখন আটকে গিয়েছিলো গাড়ির চাকা ওই নর্দমার গর্তে। আজ যে ব্যক্তি পরকিয়ার পথে ব্যস্ত সেও একদিন ধরা পড়ে, প্রাণের দায়ে গা-ঢাকা দিয়েছিলো তাদের আস্তানায় ভুলে গেছে সেই রমনীও যার জলে ডুবন্ত ছেলেকে, বাঁচিয়েছিলো এরা, ফিরিয়ে দিয়েছিলো কোলে। সংবাদপত্রের রিপোর্টার সেও- সেদিন এসেছিলো ছুটে, সাধারন মানুষের সাক্ষের জোরে নিজের টি আর পি বাড়াবে বলে ওরা সব সয়ে যায়, মুখ বুজে আর ভাবে মনে মনে , হে মহা মানব তোমার মুক্তি লাভের বেলায় আমরাই থাকব চিতায় কাঠ সাজিয়ে পরলোকে পাঠাবার তরে...
No comments